পাট কারখানা

বাংলাদেশের পাটের চাহিদা বিশ্ব জুড়ে থাকলেও, পাট উৎপাদন করে লাভবান হতে পারছেন না কৃষক। পাট উৎপাদনের খরচ যে হারে দিন দিন বাড়ছে তাতে বাংলাদেশে পাট শিল্প হারিয়ে যেতে পারে।

পাট কারখানার বর্তমান অবস্থা ও পাট চাষীদের কিভাবে এতে উদ্বুদ্ধ করা যায় এই বিষয়ে নওহাটা জুটমিলের জেনারেল ম্যানেজারের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। পাট কারখানা পরিদর্শন শেষে যে তথ্য আমরা সংগ্রহ করেছি তা তুলে ধরছি।

প্রশ্নঃ আপনার নাম? ঠিকানা?
শহিদুলঃ আমার নাম মোঃ শহিদুল ইসলাম। আমার বাসা খুলনা।

 

 

 

 

 

 

 

প্রশ্নঃ কত বছর থেকে আপনি পাট মিলের সাথে জড়িত আছেন?
শহিদুলঃ এই পেশায় আমি উনিশ বছর ধরে আছি।

প্রশ্নঃ এখানে কি কি তৈরী করা হয়?
শহিদুলঃ এখানে প্রথমে পাট থেকে সুতা তৈরী করা হয় তারপর, সুতা থেকে বস্তা বোনা হয়।

প্রশ্নঃ আপনাদের মিলে যে মেশিন আছে সেটা কোন দেশের?
শহিদুলঃ এইটা ইন্ডিয়ান মেশিন।

প্রশ্নঃ এই মিলের তৈরিকৃত পন্য কোন কোন দেশে যায়?
শহিদুলঃ আমাদের মিলের পন্য সমূহ বাংলাদেশ ও ভারত এই দুই দেশের মধ্যেই বিক্রি করা হয়।

প্রশ্নঃ কতজন শ্রমিক কাজ করে এই কারখানায়?
শহিদুলঃ প্রায় ৭০০ জন শ্রমিক কাজ করে এখানে।

 

 

 

 

 

 

 

প্রশ্নঃ কত টাকা আয় করে তারা?
শহিদুলঃ আয় দু ভাবে করে থাকে এক হচ্ছে চুক্তিভাবে আর এক সিফট হিসেবে। তবে প্রতি সপ্তাহে এদের তিন থেকে চার হাজার আয় হয়।

প্রশ্নঃ কত ঘন্টা কাজ করতে হয় এদের?
শহিদুলঃ প্রত্যেকদিন আট ঘন্টা কাজ করতে হয় তবে অভার টাইম কাজ করার সুবিধাও থাকে।

প্রশ্নঃ এই মিলে কি নারী পুরুষ উভয় কাজ করে?
শহিদুলঃ জি নারী পুরুষ উভয় কাজ করে।

প্রশ্নঃ বাইরের দেশে আপনাদের পন্য নেয় কেনো?
শহিদুলঃ অবশ্যই কিছু বিশেষত্ব আছে এবং আমাদের পন্যের গুনগত মান ভাল বলেই চাহিদা করে আমাদের কাছ থেকেই পন্য নেয়।

প্রশ্নঃ পাট চাষ করে কৃষক কিভাবে লাভবান হতে পারে?
শহিদুলঃ কৃষক পাট চাষ করে তা তড়িঘরি বাজারে বেচে দেয় যা ক্রয় করে মধ্য ভোগি ব্যবসায়ীরা তাই কৃষক যে ন্যায্য মূল্য পাবার কথা তা পায় না। এ জন্য কৃষকে কিছু দিন থামতে হবে।

প্রশ্নঃ দেশি পাট ভালো নাকি ইন্ডিয়ান পাট?
শহিদুলঃ দেখেন আমাদের দেশে কিন্তু ইন্ডিয়ান গরুও আসে কিন্তু তারপরও আমরা খাবার সময় দেশিটায় খুজে নেয়। কারন দেশি জিনিসের গুনাগুন সব সময় ভাল হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *